নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:
রংপুর মহানগরীর তাজহাট থানাধীন কোট ঘাঘটপাড়া এলাকায় কবরস্থানের চলাচলের জন্য ক্রয়কৃত জমিতে বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণকাজে বাধা ও প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তাজহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কোট ঘাঘটপাড়া কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাঈদ।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— মোসা. রূপালী বেগম (৪০) ও তার স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম (৪৫), উভয় সাং-কোট ঘাঘটপাড়া, ওয়ার্ড নং-১৫, তাজহাট, রংপুর মহানগর।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কোট ঘাঘটপাড়া কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. আবু সাঈদ ও স্থানীয় লোকজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। অভিযুক্তদের বাড়ি কবরস্থানের সংলগ্ন হওয়ায় এর আগে এলাকায় কেউ মারা গেলে তারা কবরস্থানে লাশ দাফন-কাফনে বাধা দেওয়া এবং প্রধান গেটে তালাবদ্ধ করে রাখার মতো ঘটনা ঘটাতেন।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে এলাকার লোকজন কবরস্থানে যাতায়াতের জন্য মো. সাহেব আলী নামের এক ব্যক্তির নিকট থেকে ১ শতক জমি ক্রয়ের জন্য বায়না করেন। পরবর্তীতে সাহেব আলীর অনুমতিক্রমে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ থেকে ওই জমিতে বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিজেদের বাড়ির সংলগ্ন হওয়ায় অভিযুক্তরা বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে দুপুর অনুমান ১:৩০ মিনিটে অভিযুক্তরা নির্মাণাধীন জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে বাউন্ডারি প্রাচীর ভেঙে আনুমানিক ২৫,০০০ টাকার ক্ষতিসাধন করেন এবং পালিয়ে যান। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী ঘটনাটি দেখতে পান।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে আলোচনা করায় থানায় অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।