
মোঃ আল শাহরিয়ার জিম, রংপুর প্রতিনিধি:
সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী সাংবাদিক ও রেমিট্যান্সযোদ্ধা নওশের আলম চৌধুরী ওরফে সুমনকে দেশে ফিরলে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একটি মাদকসিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে তাঁকে এই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও প্রবাসী সংগঠন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রংপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর হরিদেবপুর ইউনিয়নের পাগলাপীর মহাদেবপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করেই স্থানীয়ভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। মসজিদ নির্মাণে বাধা, জমি জবরদখলের চেষ্টা এবং চাঁদা দাবির মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় প্রবাসী সাংবাদিক নওশের আলম সুমন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
নওশের আলম সুমনের সহকর্মী, প্রবাসী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁরা বলেন, একজন প্রবাসী সাংবাদিক যিনি দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অবদান রাখছেন, তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে এভাবে হুমকি দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে সুমন ও তাঁর পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, মসজিদ নির্মাণে বাধা, চাঁদা দাবি এবং হত্যার হুমকির বিষয়গুলো আলাদাভাবে তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এদিকে, সাংবাদিক নওশের আলম সুমন ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।