শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​উৎসবের রঙে অসাম্প্রদায়িক ক্যানভাস: সদ্যপুস্কারিনীতে পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মমিনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ​২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজল ইসলাম (জর্দা) রাজশাহীতে প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে সদ্যপুস্কনীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেল আহমেদ রাজ হরিদেবপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমান মাহমুদ রংপুর রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের ফুলেল শুভেচ্ছা Curacao Casino Resort Hilton A Practical Travel Guide

সম্পত্তি হস্তান্তর বিল বাতিলের দাবি: ঘরে ঘরে বিপর্যয় সৃষ্টি হলে সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিলকে কোরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট পরিপন্থি ও ‘হারাম আইন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বর্তমান সরকার কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন পাস করেছে, যা আল্লাহর কোরআন ও রাসূল (সা.) এর খেলাপ। এই আইনের কারণে ঘরে ঘরে বিপর্যয় সৃষ্টি হবে এবং সরকারকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোট প্রসঙ্গ টেনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকার সাহস করে বলে না যে তারা গণভোট মানে না, বরং তারা এনিয়ে-বিনিয়ে বলে সংবিধানে গণভোট নাই। সংবিধানে যদি গণভোট না থাকে, তবে কোনো সংবিধান মেনে চব্বিশের গণবিপ্লব হয়নি। ফ্যাসিস্টদের সংবিধান অনুসরণ করে আপনারা তাদের তাড়াতে পারেননি, আমরাও পারিনি। সংবিধানের বাইরে গিয়েই ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশ করা হয়েছে। যদি সংবিধানে গণভোট না থাকে, তবে ছাব্বিশ সালে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনও নাই, কোনো সরকারও নাই। সুতরাং মানতে হলে সবটাই মানতে হবে, আর বাদ দিতে হলে সবটাই বাদ দিতে হবে।

বর্তমান সরকারের সমালোচনায় তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর তাদের সব ওয়াদা ভুলে গেছে। নির্বাচিত হওয়ার আগে তারা দফায় দফায় জাতির কাছে ওয়াদা দিলেও সংসদে গিয়ে তার উল্টো পথ ধরছেন। হাসিনা যেভাবে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, বর্তমান সরকারও সেই একই পথ ধরে হাঁটছে। যদি একই পথ অনুসরণ করা হয়, তবে পরিণতিও একই হবে।

লং মার্চ কর্মসূচি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওয়াদা ভঙ্গের কারণে বাধ্য হয়ে ১১ দলীয় ঐক্য লং মার্চ করছে। আপনারা (সরকার) ভুল স্বীকার করে সব সংশোধন করুন এবং দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখান। তা না হলে লং মার্চের পর পরিস্থিতি কী হবে, তা আল্লাহ ভালো জানেন। আট দফা দাবি যেকোনো সময় জাতির প্রয়োজনে এক দফায় পরিণত হতে পারে। আমরা চাই, সেই এক দফার আগেই সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। তা না হলে সংসদের ভেতরে তীব্র প্রতিবাদ এবং রাজপথে সমানতালে আন্দোলন চলবে।

দেশে চাঁদাবাজি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার ও কর্মসংস্থান না থাকলেও একদল মানুষ চাঁদাবাজিতে লিপ্ত রয়েছে। চাঁদাবাজদের কারণে আজ জাতি অস্থির এবং দ্রব্যমূল্যের দাম তিন-চার গুণ বেড়ে গেছে। চাঁদা না পেয়ে মানুষ খুন করা হচ্ছে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে লালমনিরহাটের এমপি তিস্তা বাঁচানোর আওয়াজ তুললেও এখন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও সরকারের কণ্ঠে আর সেই জোর দেখা যায় না। জনগণকে বারবার ধোকা দেওয়া ঠিক হবে না। ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হলেও দেশের স্বার্থে এবং শান্তির জন্য আমরা সবকিছু সহ্য করছি।

১১ দলীয় ঐক্যের এই লং মার্চ কর্মসূচিটি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম কমানো, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন পথসভা শেষে রংপুরে এসে সমাপনী সমাবেশে মিলিত হয়।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews