শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পীরগাছায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিবেশীদের হামলা ও হুমকির অভিযোগ ​উৎসবের রঙে অসাম্প্রদায়িক ক্যানভাস: সদ্যপুস্কারিনীতে পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মমিনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ​২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজল ইসলাম (জর্দা) রাজশাহীতে প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে সদ্যপুস্কনীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেল আহমেদ রাজ হরিদেবপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমান মাহমুদ রংপুর রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের ফুলেল শুভেচ্ছা

​তাজহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক ২০ টাকা আদায়ের অভিযোগ, অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি, রংপুর:

​সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা গ্রহণের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও রংপুরের তাজহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক ২০ টাকা করে ফি আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী মাসুদের নির্দেশেই এই টাকা তোলা হচ্ছে বলে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন।

​আজ রবিবার (১১ অক্টোবর ২০২৬) স্থানীয় ও অভিভাবক সূত্রের বরাতে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে বাধ্যতামূলকভাবে ২০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। সরকারি নিয়মানুযায়ী প্রাথমিকে কোনো প্রকার ভর্তি বা মাসিক ফি নেওয়ার বিধান না থাকলেও নানা অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। যে সকল শিক্ষার্থী টাকা দিতে বিলম্ব করছে বা অপরাগতা প্রকাশ করছে, তাদের নানাভাবে মানসিক চাপের মুখে ফেলা হচ্ছে বলে অনেক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, “প্রতি মাসেই স্যাররা আমাদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেন। টাকা না দিলে ক্লাসে বকাঝকা শুনতে হয়।”

​অভিভাবকদের দাবি, অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। যেখানে সরকার বিনামূল্যে বই ও শিক্ষা সহায়তা দিচ্ছে, সেখানে প্রধান শিক্ষকের এমন সিদ্ধান্ত তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই টাকার কোনো রসিদও শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক মেহেদী মাসুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ও নীতিগত কোনো স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।

​এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি আদায়ের সুযোগ নেই। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করে দ্রুত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা অভিলম্বিত এই বেআইনি অর্থ আদায় বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews