শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পীরগাছায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রতিবেশীদের হামলা ও হুমকির অভিযোগ ​উৎসবের রঙে অসাম্প্রদায়িক ক্যানভাস: সদ্যপুস্কারিনীতে পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মমিনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ​২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজল ইসলাম (জর্দা) রাজশাহীতে প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে সদ্যপুস্কনীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেল আহমেদ রাজ হরিদেবপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমান মাহমুদ রংপুর রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের ফুলেল শুভেচ্ছা

মিঠাপুকুরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই গরু জবাইয়ের অভিযোগ: অ্যানথ্রাক্সের ভয়াবহ শঙ্কা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে
Oplus_16908288

মো: আ: কুদ্দুস হোসাইন, বিশেষ প্রতিনিধি, রংপুর:

​বৃষ্টির পানি নামতে শুরু করায় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে গবাদিপশুর রোগবালাই, বিশেষ করে অ্যানথ্রাক্সের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। চারণভূমি ও মাটির সংস্পর্শে গবাদিপশু আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাই এবং সঠিক তদারকির অভাবে মানুষের মধ্যেও সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০২৫ সালের প্রাদুর্ভাবে পীরগাছা, কাউনিয়া ও মিঠাপুকুরসহ রংপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ৭৬ জনের বেশি সন্দেহভাজন অ্যানথ্রাক্স রোগী শনাক্ত হয় এবং পীরগাছায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। সে সময় টিকাদান কার্যক্রম চালানো হলেও মাঠপর্যায়ের দীর্ঘমেয়াদি নজরদারির ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পরিবেশে দীর্ঘ সময় টিকে থাকে। মৃত পশুর সঠিক নিষ্পত্তি না হলে এবং আক্রান্ত পশুর চামড়া বা মাংসের সংস্পর্শে আসলে মানুষও সংক্রমিত হতে পারে।

​বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত কসাইখানার অভাব ও অনিয়ম

মিঠাপুকুর উপজেলার বলদিপুকুর, জায়গীর ও বৈরাগীগঞ্জসহ বিভিন্ন বাজারের আশপাশে ও মহাসড়কের পাশে কোনো স্বাস্থ্যসম্মত কসাইখানা ছাড়াই গরু জবাই করা হচ্ছে। পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না করায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। নিয়ম অনুযায়ী জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হলেও ২০২৬ সালের শুরু থেকে তা নিয়মিত মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

​কৃষকের আর্থিক সুরক্ষা ও সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ

অসুস্থ পশু জবাইয়ের প্রবণতা রোধ করতে হলে শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ দেওয়া প্রয়োজন।

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে ৫টি বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা-

  • ​গবাদিপশুকে নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা।
  • ​মৃত পশুর নিরাপদ নিষ্পত্তি করা।
  • ​অসুস্থ পশু গোপনে জবাই করা কঠোরভাবে বন্ধ করা।
  • ​বাজারে নির্দিষ্ট কসাইখানা স্থাপন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা।
  • ​বছরজুড়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো।

স্থানীয় প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও বাজার কমিটির সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews