রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল ইসলামকে স্ট্যান্ড রিলিজ ব্রাজিলের ৩-০ গোলের দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল হাইতি ‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: ডা. শফিকুর রহমান লালমনিরহাটে অপহরণ ও অর্থ লুটের মামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার মিঠাপুকুরে ২৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ব্রি ধানের বীজ বিতরণ রংপুরে চিহ্নিত মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত শিউলিকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের চমক: অবসান ঘটছে দীর্ঘদিনের জটলার হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া বৃদ্ধির একতরফা সিদ্ধান্ত: রংপুরে ক্ষুব্ধ চাষীদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ লালমনিরহাটে শিশু নন্দিনী হত্যা ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, এসপি-ওসিসহ আহত অন্তত ২০ রংপুরে হোটেলে ‘পানের পিক’ ফেলায় কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা: অভিযুক্ত মিজানুর রহমান মনু গ্রেপ্তার

কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল ইসলামকে স্ট্যান্ড রিলিজ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান সই করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। পরিপত্রে তাকে ২১ জুনের মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার নগরীর লবণচরা থানার মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে পুলিশ। ওই সভায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে খুলনায় একাধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা বেড়েছে এবং তাদের হাতে ৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলি ও কুপিয়ে জখমের শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে লবণচরা থানা এলাকায়।

স্থানীয়রা আরও জানান, মহিরবাড়ি খালপাড় অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত হলেও আতঙ্কের কারণে অনেকেই থানায় অভিযোগ করতে চান না। আবার পুলিশ একাধিক অভিযান চালালেও অপরাধীরা ধরা পড়ে না।

সভায় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় অভিযোগ করেন, তথ্য দিলে তা পুলিশ থেকেই ফাঁস হয়ে যায়। তারা আগে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিজেদের আচরণ ও কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেন।

এর জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘দারোগা বা ইনস্পেক্টরকে বলার পর কোনো তথ্য যদি ফাঁস হয়, আমি মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি ইনস্পেক্টরকে ঝুলায় দেব। আপনারা পিটায় মারবেন। আপনারা গোপন তথ্য দেবেন, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানলে আমি কথা দিচ্ছি গাছের সঙ্গে ঝুলায় পিটাবো।’

এ ঘটনার পর বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক যৌথ বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ বাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তাদের বক্তব্যে সর্বদা পেশাদারিত্ব, সংযম ও প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা বাঞ্ছনীয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনসম্মুখে প্রদত্ত যেকোনো বক্তব্য এমন হওয়া উচিত, যা বাহিনীর মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও জনগণের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতে সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্য বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা, সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, পেশাদারত্ব ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews