মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ: এসআই নিহার রঞ্জন পুলিশ লাইনে সংযুক্ত দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ছাত্র আন্দোলন ও সমাজসেবায় বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব মোঃ শহিদুল ইসলাম মিজু বদরগঞ্জে মেলাবহির্ভূত লটারি টিকিট বিক্রি: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড রংপুরে রওশন আরা বেগম হত্যাকারী ও আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুরে ঘাঘট প্রয়াস পার্কে মেলার আড়ালে হাউজি-লটারি ও অশ্লীলতা বন্ধের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী রংপুরে রিকশা গ্যারেজ মালিক আব্দুর রহমান হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন: নারীসহ ৩ জন গ্রেপ্তার বাণিজ্য মেলা ও সার্কাসের আড়ালে রমরমা অসামাজিক কার্যকলাপ: দিশেহারা স্থানীয় এলাকাবাসী রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বিএনপি রংপুরে পাবলিক লাইব্রেরির কার্যক্রম গতিশীল করতে এডহক কমিটি গঠনের উদ্যোগ: মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হাদি হত্যার আসামি ও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার তাগিদ ঢাকার

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ছাত্র আন্দোলন ও সমাজসেবায় বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব মোঃ শহিদুল ইসলাম মিজু

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ প্রতিবেদক:

রংপুরের মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ রাজপথের লড়াকু সৈনিক, প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সমাজসেবক মোঃ শহিদুল ইসলাম মিজু। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসা এই নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

​শিক্ষাজীবন ও ছাত্ররাজনীতির সোনালী অধ্যায়

​১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ২নং ওয়ার্ড, রংপুর শহর শাখার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন মোহাঃ শহিদুল ইসলাম মিজু। এরপর নিজের বিচক্ষণতা ও নেতৃত্বের গুণে খুব দ্রুতই সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

​তিনি ১৯৮৭ সালে ছাত্রদল ২নং ওয়ার্ড (রংপুর শহর) এর সভাপতির দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৮৯ সালে রংপুর শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। ১৯৯০ সালের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং কারমাইকেল কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস হিসেবে তিনি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখেন। ১৯৯১ সালে তিনি ঐতিহাসিক কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন।

​তার নেতৃত্ব এখানেই থেমে থাকেনি; ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রংপুর জেলা শাখার আহবায়ক, ১৯৯৭ সালে রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৯৯ সালে কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে রংপুর অঞ্চলের নাম জাতীয় পর্যায়ে উজ্জ্বল করেন।

​জাতীয় রাজনীতি ও আন্দোলন-সংগ্রাম

​২০০১ সালে মূল দলে যোগ দিয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, রংপুর জেলার সদস্য হন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে রংপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০০৯ সালে যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে রংপুর মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সফলভাবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, রংপুর মহানগরের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

​দেশ ও জাতির সংকটকালে তিনি সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর তিনি ভারপ্রাপ্ত আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও তিনি কারারুদ্ধসহ একাধিকবার কারাবরণ করেন, যা তার আপসহীন রাজনৈতিক আদর্শের এক অনন্য প্রমাণ।

​সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড

​রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবা ও শিক্ষা বিস্তারেও মোহাঃ শহিদুল ইসলাম মিজু সমানভাবে সম্পৃক্ত। তিনি বর্তমানে সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন:

​সভাপতি: সিতো রিও কারাতে স্কুল ও যোগা জোন, রংপুর। সাবেক সভাপতি: শ্যামপুর ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, রংপুর। সাধারণ সম্পাদক: তেঁতুলতলা জামে মসজিদ, মহানগর, রংপুর। সভাপতি: তরুণ সংঘ ক্লাব, মহানগর, রংপুর। মেম্বার: চেম্বার অব কমার্স, রংপুর।

​তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও বর্ণিল রাজনৈতিক পথচলা রংপুর অঞ্চলের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়া এই ব্যক্তিত্ব আগামীতেও রংপুরবাসীর কল্যাণে অনন্য ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদী এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews