শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
​উৎসবের রঙে অসাম্প্রদায়িক ক্যানভাস: সদ্যপুস্কারিনীতে পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মমিনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সদর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ​২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মফিজল ইসলাম (জর্দা) রাজশাহীতে প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে সদ্যপুস্কনীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাসেল আহমেদ রাজ হরিদেবপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমান মাহমুদ রংপুর রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের ফুলেল শুভেচ্ছা Curacao Casino Resort Hilton A Practical Travel Guide

গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধে ৩১ স্থানে ভাঙন ও গর্ত: আতঙ্কে পৌরবাসী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও ঘাঘট নদীর পানির চাপে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের অন্তত ৩১টি স্থানে বড় ধরনের গর্ত ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাঁধের অনেক স্থানে এখন মাত্র এক ফুট অংশ অবশিষ্ট রয়েছে, যা যেকোনো সময় ভেঙে জেলা সদরকে তলিয়ে দেওয়ার উপক্রম করেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও ২০১৯ সালে একইভাবে বাঁধ ভেঙে গাইবান্ধা পৌর এলাকার কুঠিপাড়া, স্টেশন রোড, ডিবি রোড, কাচারি বাজারসহ শহরের অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল-কলেজ ও বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা মনে করে স্থানীয় বাসিন্দারা এখন চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

​ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী ও বালু ব্যবসায়ীরা ট্রাক্টর চলাচলের জন্য বাঁধের বিভিন্ন অংশ কেটে ফেলায় বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ পেলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। নামমাত্র মেরামতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।

​বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দা সবুর মিয়া বলেন, “আমার বাড়ির পাশের বাঁধটি ভেঙে গেছে। ধসে পড়া মাটি ও বালুতে ঘরের বেড়া নষ্ট হয়ে গেছে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে রাতভর আতঙ্কে জেগে থাকি, কখন জানি বাঁধ ভেঙে সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়।”

​বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও। নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমীন শিল্পী অভিযোগ করেন, “জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আশ্বস্ত করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড দায়সারাভাবে শুধু কয়েকটি ফাটলে বালুর বস্তা ফেলেই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। আমরা স্থায়ী প্রতিকার চাই।”

​পৌর বিএনপির নেতা শহিদুজ্জামান শহীদ জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের পর শহর রক্ষায় এই বাঁধটি নির্মাণ করা হলেও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা এখন মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

​এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, “শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের কাজ করা হবে।”

​তবে নদী ও বাঁধ তীরবর্তী মানুষের দাবি, কেবল দায়সারা মেরামতে নয়, বরং প্রভাবশালী অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং টেকসই সংস্কারের মাধ্যমেই গাইবান্ধা শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews